‘৮০০ থেকে ১০০০ জনের সশস্ত্র দল খুনের উদ্দেশে এসেছিল’, সন্দেশখালি নিয়ে বিবৃতি EDর

রাজ্য

[ad_1]

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে সন্ধ্যে গড়াতেই এবাল এল ইডির বিবৃতি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ৮০০ থেকে ১০০০ জনের জনতা ইডির তদন্তকারী অফিসারদের ঘিরে ধরে। ইডির দাবি, অফিসারদের খুনের উদ্দেশেই সেখানে উপস্থিত হয় জনতা। প্রসঙ্গত, সন্দেশখাবির তৃণমূল নেতার বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ইডি তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে অফিসারদের বিরুদ্ধে মারধরে উস্কানি দেওয়ার সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

ইডি তার বিবৃতিতে জানিয়েছে, ৮০০ থেকে ১০০ জনের একটি সশস্ত্র দল, লাঠি, ইট, পাথর নিয়ে হাজির হয়। সেখানে তারা ইডি অফিসারদের তাড়া করে। ইডি অফিসারদের মারধর করা হয় বলে জানা গিয়েছে। তিনজন ইডি অফিসার গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতিতে তৃণমূলের নেতা শাহজাহান শেখের তিনটি ভবন তল্লাশিতে নামে তারা। তখনই তেড়ে আসে ৮০০ থেকে ১০০০ জনের দল। ইডি অফিসারদের উপর চলে হামলা। ইডি অফিসারদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় ল্যাপটপ, মোবাইল। এমনকি ওয়েলেট টাকাকড়িও ছিনতাই করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। এখানেই শেষ নয়। ইডি অফিসারদের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, আজ শুক্রবার দুটি দলে ভাগ হয়ে রেশন দুর্নীতির তল্লাশিতে বের হন ইডির আধিকারিকরা। সকালে একটি দল পৌঁছয় বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন ইডির একটি দল পৌঁছয় বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যের শ্বশুরবাড়িতে। অন্য দলটি সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার তৃণমূল নেতা শাহাজাহান শেখের বাড়িতে যায়। ইডি তার বিবৃতে জানিয়েছে, শাহজাহান শেখের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশনে দেখা গিয়েছে, তিনি সেই সময় বাড়িতেই ছিলেন। এদিকে, ইডি অফিসাররা যেতে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে শাহজাহান শেখ ছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। শাহাজাহানের বাড়ি তালাবন্ধ ছিল। এরপর বহুক্ষণ চলে ডাকাডাকি। তারপরও মেলেনি সাড়াশব্দ। এরপর তালা ভাঙার চেষ্টা করেন ইডির আধিকারিকরা। তখনই ইডির আধিকারিকদের ঘিরে ধরে ৮০০ থেকে ১০০০ জনের জনতা। তারা লাঠি, ইট নিয়ে হাজির হয়। বহু আধিকারিক ছুটে পালাতে যান, তাদের হামলা করে ওই জনতা। এরপর একাধিক ইডি আধিকারিক আহত হন। তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি।

ইডি তার বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘তল্লাশির সময়ে ৮০০ থেকে ১০০০ জন ঘিরে ধরে। ইডি ও CRPF জওয়ানদের উপর ইট-পাথর দিয়ে হামলা চালানো হয়। ব্যক্তিগত ও সরকারি সামগ্রী চুরি গিয়েছে। খুনের উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়।’

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 



[ad_2]

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *